Breaking News

এই আইপিএলে ২০০০ কোটি ক্ষতির সম্মুখীন ক্রিকেট বোর্ড

সৌরভ পড়ে গেলেন বিপাকে। এমন সমস্যা কখনো চিন্তাও করেনি সৌরভের বোর্ড।শীর্ষস্থানীয় কর্তা জানালেন ক্ষতি প্রায় ২২০০ কোটি টাকা ।স্পন্সর থেকে ব্রডকাস্টারের কাছ থেকে টাকা কম পাওয়া যাবে অনেকটাই। স্টার স্পোর্টসের থেকে ম্যাচ পিছু ৫৪.৫ কোটি টাকা পায় বিসিসিআই। এই টাকা কোনভাবেই পাবে না এইবার।

Advertisement

করোনার হানায় আইপিএল বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে বিসিসিআই। তারপরেই বোর্ডের শীর্ষকর্তারা খাতা পেন নিয়ে বসেছেন। তবে ক্ষতির পরিমাণ কষে মাথায় হাত বোর্ডের। আইপিএল আচমকা বন্ধ করে দেওয়ায় ব্রডকাস্টিং এবং স্পন্সরশিপ থেকে প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০ কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছে বিশ্বের ধনীতম ক্রিকেট বোর্ড।

আইপিএলের চতুর্দশ সংস্করণ শুরু হয়েছিল ৯ এপ্রিল৷ আর শেষ ম্যাচ হয়েছে ২ মে৷ সোমবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের দুই ক্রিকেটার করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর ম্যাচ স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছিল আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল৷ কারণ নিয়মানুসারে দলের কোনও ক্রিকেটারের কোভিড রিপোর্ট এলে দলের বাকি সদস্য অন্তত পাঁচ থেকে ছ’দিনের আইসোলেশনে থাকতে হয়৷ ফলে সোমবার কলকাতা নাইট রাইডার্স ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ম্যাচ স্থগিত হয়ে যায়৷ এদিন চেন্নাই সুপার কিংস দলের সঙ্গে যুক্ত তিনজনের কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসে৷

Advertisement

আরো পড়ুনঃ সৌরভের পছন্দের শীর্ষে ঋষভ ও শার্দূল

জানা গিয়েছে, সম্প্রচারকারী স্টার স্পোর্টসের কাছ থেকে ক্ষতির ধাক্কা বেশি পেতে চলেছে বোর্ড। বোর্ডের সঙ্গে স্টারের ৫ বছরের চুক্তির পরিমাণ ১৬,৩৪৭ কোটি টাকা। বার্ষিক হিসাবে যার পরিমাণ ৩২৬৯.৪ কোটি টাকা। ৬০ ম্যাচ সম্পূর্ণভাবে খেলা হলে প্রতি ম্যাচ থেকে বোর্ডের ভাঁড়ারে ঢুকত ৫৪.৫ কোটি টাকা। সেই হিসাবেই ২৯ ম্যাচের জন্য স্টার বিসিসিআইকে দেবে ১৫৮০ কোটি টাকার কাছাকাছি। গোটা টুর্নামেন্ট খেললেই বোর্ড আয় করতে পারত ৩২৭০ কোটি টাকা। সেই হিসাবে বোর্ডের ক্ষতি ১৬৯০ কোটি টাকা।

Advertisement

একইভাবে আইপিএলের টাইটেল স্পন্সর হওয়ার জন্য ভিভোর ভারতীয় বোর্ডকে দেওয়ার কথা ৪৪০ কোটি টাকা। অর্ধেক টুর্নামেন্ট হওয়ায় সেই অঙ্কের টাকাও অর্ধেক হয়ে যাবে।

টাইটেল স্পন্সর ছাড়াও সহযোগী স্পন্সর- আনএকাডেমি, ড্রিম-১১, ক্রেড, আপস্টকস, টাটা মোটরস- প্রত্যেকে বোর্ডকে ১২০ কোটি টাকা দিয়ে থাকে।

Advertisement

বোর্ডের সেই শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, ক্ষতির অঙ্ক ২২০০ কোটি টাকার অনেকটাই বেশি। ঘটনা হল, আইপিএল থেকে বোর্ড পুরোপুরি আয় না করতে পারায় ফ্র্যাঞ্চাইজিদের জন্য বরাদ্দ অর্থের অনেকটাই কম দিতে বাধ্য হবে বোর্ড। তবে প্রতি ফ্র্যাঞ্চাইজি কত কোটি টাকা ক্ষতির মুখে পড়ল, তা জানাননি সেই কর্তা।

কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত প্রদান করুন।

About Cricvive Desk

Cricvive is a sports media company that produces original video, audio, and written content for cricvive.com and other media partners, as well as the general public and news organizations.

Check Also

এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচ টাই হলেও সুপার ওভারে নিষ্পত্তি হল না, আগের নজির কোনটি?

এই নিয়ে দ্বিতীয়বার কোনও আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচ টাই হল, অথচ সুপার ওভারে তার ফলাফল নির্ধারিত …

Leave a Reply

Your email address will not be published.