Breaking News

বাংলাদেশকে চরম নাটকীয়তার পর শেষ বলে ৫ উইকেটে জয় পাকিস্তানের

তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে ৫ উইকেটের হারে সিরিজে ধবলধোলাই হলো বাংলাদেশ। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচের শেষ বলে জয় পায় পাকিস্তান।

Advertisement

টস জিতে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। মোহাম্মদ সাইফ হাসানের বদলে ইনিংস উদ্বোধন করতে নামেন নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্বিতীয় ওভারে পাকিস্তানের অভিষিক্ত পেসার শাহনেওয়াজ দাহানিকে বাউন্ডারি মেরে স্বাগতিক জানান এই বাঁহাতি ব্যাটার। এক বল পরেই শান্তকে বোল্ড করেন দাহানি। ৫ বলে ৫ রানে বিদায় নেন শান্ত।

সিরিজে প্রথম সুযোগ পাওয়া শামীম হোসেন নামে তিনে। শামীমের ব্যাট থেকে আসে চারটি চার। ২৩ বলে ২২ রানের ধীরগতির ইনিংস খেলে উসমান কাদিরের বলে সীমানার কাছাকাছি ইফতিখার আহমেদের তালুবন্দী হন শামীম। ৩৭ রানে ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। প্রথম ১০ ওভারে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ২ উইকেটে মাত্র ৫২ রান।

Advertisement

তৃতীয় উইকেটে জুটি গড়েন আফিফ হোসেন ধ্রুব ও নাঈম শেখ। তাদের জুটিতে আসে ৪২ বলে ৪৩ রান। কাদিরের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে আফিফ বিদায় নেন ২১ বলে ২০ রান করে। কাদিরের আগের ওভারেই দুইটি ছাক্কা হাঁকিয়েছিলেন আফিফ।

অধিনায়ক রিয়াদের সাথে নাঈম গড়েন ২৫ বলে ৩১ রানের জুটি। ৫০ বলে ৪৭ রানের কচ্ছপগতির ইনিংস খেলে ১৯তম ওভারে বিদায় নেন নাঈম। তার ইনিংসে ছিল দুইটি করে চার ও ছক্কা। নাঈমের বিদায়ের পর মাঠে নেমে প্রথম বলে চার হাঁকিয়ে পরের ক্যাচ আউট হন নুরুল হাসান সোহান।

Advertisement

শেষ ওভারের প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারিতে তালুবন্দী হন রিয়াদও। অধিনায়ক ১৪ বলে ১৩ রান করেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশ সংগ্রহ করেছে ৭ উইকেটে ১২৪ রান। পাকিস্তানের পক্ষে মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে নেন দুইটি উইকেট। কাদির ৩৫ রানের বিনিময়ে দুইটি উইকেট পান।

১২৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানও ধীরগতিতে শুরু করে। সপ্তম ওভারে বাংলাদেশকে প্রথম উইকেট এনে দেন আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। পাকিস্তানি অধিনায়ক বাবরকে শিকার করেন এই লেগ স্পিনার। ৩২ রানে ১ উইকেট হারায় পাকিস্তান। বাবর ফেরেন ২৫ বলে ১৯ রানের ইনিংস খেলে

Advertisement

ইনিংসের প্রথম ১০ ওভারে পাকিস্তান সংগ্রহ করে ১ উইকেটে ৪৬ রান। তারপরেই রান তোলার গতি বৃদ্ধি করেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও হায়দার আলি। ৪৮ বলে ৫০ রানের জুটি পূর্ণ করেন তারা দুইজন। ৫১ রানের জুটি ভাঙেন শহিদুল ইসলাম। রিজওয়ানকে বোল্ড করে প্রথম আন্তর্জাতিক উইকেট শিকার করেন শহিদুল। রিজওয়ান করেন ৪৩ বলে ৪০ রান।

বোলারদের দৃঢ়তায় স্বপ্ল রানের ম্যাচও গড়ায় শেষ ওভারে। শেষ ৬ বলে জয়ের জন্য পাকিস্তানের দরকার ছিল ৮ রান। পাকিস্তানকে আটকানোর দায়িত্ব নিজ হাতে তুলে নেন অধিনায়ক রিয়াদ। প্রথম বলটি ডট দেন এবং দ্বিতীয় বলেই তিনি শিকার করেন সরফরাজ আহমেদকে। পরের বলেই সাজঘরে ফেরেন হায়দার।

ইফতিখার নেমেই ছক্কা মেরে পাকিস্তানের পক্ষে নিয়ে যান ম্যাচ। পরের বলে তিনিও ক্যাচ আউট হন। শেষ বলে জয়ের জন্য পাকিস্তানের দরকার ছিল ২ রান।

কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত প্রদান করুন।

About Dipok Deb Nath

Check Also

বিরাটদের ব্যাটিং বিপর্যয়ে ব্যর্থ বোলাররাও! ক্যাচ ফস্কে, রান গলিয়ে হার বাংলাদেশের কাছে

এক দিনের সিরিজ়ে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। Advertisement টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক …

Leave a Reply

Your email address will not be published.