Breaking News

শুধুমাত্র একটি উপায়ে প্রোটিয়াদের টেস্টে ঘায়েল করতে চায় টাইগাররা

বাংলাদেশের পেস বোলিং ইউনিটের উত্থানটা রোমাঞ্চকর, একইসাথে বিস্ময় জাগানিয়া। একসময় স্পিনই ছিল বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের শক্তির আধার। সেই স্পিন ধীরে ধীরে চলে গেছে পেসারদের দাপটের আড়ালে। আর তাই পেস দিয়েই দক্ষিণ আফ্রিকায় আরেক ইতিহাস গড়তে চায় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের বছরটা শুরু হয়েছিল নিউজিল্যান্ডকে মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টে হারিয়ে। সেই ম্যাচের মত দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের দুই ম্যাচেও পেসকেই শক্তির মূল জায়গা বলে মানছে টাইগাররা। স্পিনের তুলনা করলে বাংলাদেশের চেয়ে প্রোটিয়ারা পিছিয়েই থাকবে। দক্ষিণ আফ্রিকা তাই পেস বান্ধব উইকেট সাজাতে পারে টেস্ট সিরিজে।

বাংলাদেশ দলের টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন জানালেন, পেস বান্ধব উইকেট পেলে বাংলাদেশও প্রোটিয়াদের হুমকি হয়ে ওঠার সামর্থ্য রাখে। তিনি বলেন, ‘কন্ডিশন স্বাগতিকদের পরিচিত। সহজ কিছু হবে না আমরা জানি। টেস্ট সিরিজ অনেক কঠিন হবে। তারপরও আমরা মোকাবেলা করতে প্রস্তুত। আগে আমরা ভালো ছিলাম না, এখন তো আমরা ভালো দল। আমাদের সেই বোলিং অ্যাটাক আছে, ব্যাটাররা আছে।

এই কন্ডিশনে ভালো করতে পারি সেই বিশ্বাসটা থাকতে হবে।’ ডারবানে সাধারণত স্পিনাররা একটু সহায়তা পান, যা এশিয়ার বাইরের যেকোনো ভেন্যুর চেয়ে বিচিত্র। তবে সুজনের ধারণা, চিরাচরিত রূপ বদলাতেও পারে আগামী টেস্টের উইকেট। তার যুক্তি, ‘বিগত বছরগুলোতে এই উইকেটে তেমন পেস ছিল না। তবে আমাদের বিপক্ষে ওরা বাউন্স আর পেস দিতেও পারে।

আমরা এটা মোকাবেলা করতে প্রস্তুত। যেটা আমাদের জন্য সমস্যা, এটা ওদের জন্যও সমস্যা। কারণ আমাদেরও এখন ১৪০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারে এমন বোলার আছে। তাই উইকেট নিয়ে আমি একদমই চিন্তিত না। আমাদের প্রক্রিয়া ঠিক রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ানডেতে প্রক্রিয়া, পরিকল্পনা ভালো ছিল বলেই সিরিজ জিতেছি। এটা টেস্টেও দেখতে চাই।’

দিনশেষে কন্ডিশনের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হচ্ছে। উপমহাদেশে যেমন যেকোনো উইকেটে স্পিনাররা ছড়ি ঘোরানোর সামর্থ্য রাখেন, একইভাবে এশিয়ার বাইরে সুযোগ বেশি থাকে পেসারদের। এবাদত, তাসকিন, শরিফুলদের নিয়েই তাই জয়ের কাঁথা বুনতে চান সুজন।

তিনি বলেন, ‘এই কন্ডিশনে ২০ উইকেট নিতে গেলে পেসারদের ওপর নির্ভর করতেই হবে। আমাদের এখন সেই কোয়ালিটি আছে। নিউজিল্যান্ডের উইকেট আমাদের যতটা সাপোর্ট করেছে, ওদেরও ততটাই করেছিল। কিন্তু আমরাই বেশি ভালো খেলেছি। এখনকার বোলিং অ্যাটাক অনেক ভালো।

মুস্তাফিজ খেলবে না, ওর জায়গায় এবাদত আসবে। এবাদতও ১৪০ এ বল করে। আমাদের তিন পেসার আছে। নতুন বল কাজে লাগানো গুরুত্বপূর্ণ। এটা নিয়ে কাজও করছি। দেশের লেন্থ ও এখানকার লেন্থে ভিন্নতা আছে। নিউজিল্যান্ডে যে লেন্থে বল করে সফল হয়েছে সেটা হয়ত এখানে কাজে লাগবে।’

কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত প্রদান করুন।

About Cricvive Desk

Cricvive is a sports media company that produces original video, audio, and written content for cricvive.com and other media partners, as well as the general public and news organizations.

Check Also

শ্রীলঙ্কাতেও পেসারদের দিকে তাকিয়ে বাবর

দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে আগামী ৬ জুলাই শ্রীলঙ্কা যাচ্ছে পাকিস্তান। মূল সিরিজের আগে একটি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.