Breaking News

আইপিএলে বাবর আজমের দাম ১৫ থেকে ২০ কোটি

টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ব্যাটসম্যান বাবর আজম। ওয়ানডেতেও পয়েন্টের হিসাব বলছে সবার সেরা পাকিস্তানের অধিনায়ক। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত খেলেছেন বাবর। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের এমন উজ্জ্বল পারফরম্যান্সের পরও আইপিএলে তাঁকে দেখা যায় না।

পাওয়ার প্লেতে উইকেট নেওয়ায় এখন বিশ্বসেরা পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদিকেও যেমন দেখার উপায় নেই আইপিএলে। ভারত-পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ২০০৯ সাল থেকেই পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের বিশ্বের সেরা ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ থেকে দূরে সরিয়ে রাখছে।

এ নিয়ে অনেকের মনেই আফসোস আছে। ২০০৮ আইপিএলে খেলা শোয়েব আখতারের সবচেয়ে বেশি আফসোস বাবরকে নিয়েই। তাঁর ধারণা, আইপিএলে খেলার সুযোগ পেলে নিলামে বাবরকে নিয়ে টানাটানি হতো। আর সে ক্ষেত্রে ১৫ থেকে ২০ কোটি রুপিতে তাঁকে কিনতে হতো।

এ মৌসুমের মেগা নিলামে সবচেয়ে বেশি দাম উঠেছে ঈশান কিষানের। ১৫ কোটি ২৫ লাখ রুপিতে তাঁকে নিয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ানস। ওদিকে নিলামের আগেই কিছু খেলোয়াড় ধরে রাখার সুযোগ পেয়েছে বিভিন্ন দল। তাঁদের জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর খরচের পরিমাণ ১৪ থেকে ১৭ কোটি রুপি। সবচেয়ে বেশি ১৭ কোটি রুপি পেয়েছেন লোকেশ রাহুল।

আইপিএল উপলক্ষে স্পোর্টস ক্রীড়ায় হরভজন সিংয়ের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠান করছেন শোয়েব আখতার। সেই অনুষ্ঠানে বাবরকে আইপিএলে দেখতে পাচ্ছেন না বলে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। যার সঙ্গে বাবরের নিয়মিত তুলনা চলে, সেই বিরাট কোহলির সঙ্গে পাকিস্তান অধিনায়কের জুটি গড়ার স্বপ্ন দেখেন শোয়েব।

বর্তমানে আইপিএল নিলামে সবচেয়ে বেশি দামের রেকর্ড ক্রিস মরিসের। দক্ষিণ আফ্রিকান অলরাউন্ডারের জন্য ২০২১ সালে রাজস্থান রয়্যালস ১৬ কোটি ২৫ লাখ রুপি খরচ করেছে। শোয়েবের ধারণা, বাবরকে পেতে সব রেকর্ড ভেঙে ফেলবে দলগুলো।

শোয়েব অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে বলেন, আইপিএলে কোনো এক দিন বিরাট কোহলি ও বাবর আজমকে একসঙ্গে ইনিংস উদ্বোধন করতে দেখাটা দারুণ হবে। কী রোমাঞ্চকর এক দৃশ্য হবে সেটা। নিলামে বাবরের দাম ১৫ থেকে ২০ কোটি রুপিও হতে পারে। সে হয়তো পাকিস্তানের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় হবে।

২০ কোটি রুপি দাম উঠলে আইপিএলের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় হয়ে যাবেন বাবর। আর পাকিস্তানের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় হতে নিলামে ঝড় না তুললেও চলবে বাবরের। কারণ, ২০০৮–এর নিলামে যে ১১ জন পাকিস্তানি খেলোয়াড় বিক্রি হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে দাম পেয়েছিলেন শহীদ আফ্রিদি। ডেকান ক্রনিকল তাঁকে পেতে যে অর্থ খরচ করেছিল, সেটা ভারতীয় মূল্যমানে ২ কোটি ৭১ লাখ রুপি।

বাকি ১০ পাকিস্তানি ক্রিকেটারের আইপিএল মূল্যেও একটু নজর বুলিয়ে নেওয়া যাক— মোহাম্মদ আসিফ—২ কোটি ৬১ লাখ রুপি (দিল্লি ডেয়ারডেভিলস) শোয়েব মালিক—২ কোটি রুপি (দিল্লি ডেয়ারডেভিলস) শোয়েব আখতার—১ কোটি ৭০ লাখ রুপি (কলকাতা নাইট রাইডার্স)

ইউনিস খান—৯০ লাখ ৩৬ হাজার রুপি (রাজস্থান রয়্যালস) উমর গুল—৬০ লাখ ২৪ হাজার রুপি (কলকাতা নাইট রাইডার্স) কামরান আকমল—৬০ লাখ রুপি (রাজস্থান রয়্যালস) মিসবাহ-উল-হক—৫০ লাখ ২০ হাজার রুপি (রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু)

সালমান বাট—৪০ লাখ ১৬ হাজার রুপি (কলকাতা নাইট রাইডার্স) মোহামদ হাফিজ—৪০ লাখ ১৬ হাজার রুপি (কলকাতা নাইট রাইডার্স) সোহেল তানভীর—৪০ লাখ ১৬ হাজার রুপি (রাজস্থান রয়্যালস)

কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত প্রদান করুন।

About Cricvive Desk

Cricvive is a sports media company that produces original video, audio, and written content for cricvive.com and other media partners, as well as the general public and news organizations.

Check Also

ভারতের জন্যই ক্ষতি হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের! ডুপ্লেসিকে না পেয়ে তোপ স্মিথের

২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর দেশের হয়ে খেলেননি ডুপ্লেসি। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও সম্ভবত তাঁকে পাবে না …

Leave a Reply

Your email address will not be published.